শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের সহায়ক এক প্ল্যাটফর্ম — যেখানে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি পাওয়া যাবে বই প্রকাশ, শিক্ষক ভাবনা ও শিক্ষা বিষয়ক খবরাখবর।
Mamun Sir-এর তৈরি “বেইসিক ইংরেজি শিখে জিরো থেকে হিরো” বইসহ আরও নানা শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে সাজানো ব্লগ।
📢 বেসরকারি শিক্ষকরা কি বাড়তি ভাতা নিতে পারবেন? প্রকাশকাল: ৯ জুন ২০১৮ চিঠির নম্বর: ৩৭.০০.০০০০.০৯২.৪৪.০০২.১২ (খণ্ড-২).১৭৭ উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয় 🔍 পরিপত্রের মূল সারাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ সরকারি বেতন-ভাতার বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি ফি আদায় করতে পারবেন না। যদি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী দেয়, তবে সেটি সীমিত হবে এবং সরকারি বেতনের চেয়ে বেশি হবে না। ১.৩ ধারা: সরকারি বেতন-ভাতা ছাড়া অতিরিক্ত ভাতা নেওয়া যাবে না, শুধুমাত্র সম্মানী গ্রহণযোগ্য (কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে)। ১.৪ ধারা: শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ১.৫ ধারা: টিউশন ফি বাড়াতে হলে জেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন আবশ্যক। ১.৭ ধারা: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অনুমোদন ছাড়া ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না। 🧾 নির্দেশনার উদ্দেশ্য: এই পরিপত্রের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষ...
জাতীয় কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী, শিক্ষক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে পারবেন না— এমন নির্দেশনা পুনর্ব্যক্ত করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ২০২৫ সালের ১০ জুলাই জারিকৃত স্মারক নং-৩৭.০২.০০০০.১০১.১৮.০০২.২৮.২৮৭৭/৫ এর মাধ্যমে বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩০/০৬/২০১১ তারিখের পূর্বের নির্দেশনা অনুসারে, কোনো শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বা সদস্যরা মন্ত্রণালয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন না। আবেদন করতে হলে প্রতিষ্ঠান প্রধান বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুপারিশপত্রসহ আবেদন পাঠাতে হবে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়: > "জাতীয় কোনো কর্মকর্তা/কর্মচারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত শিক্ষক/শিক্ষাকর্মী, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি/সদস্যদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সরাসরি আবেদন করার বিষয়ে বিধিনিষেধ রয়েছে এবং তা কার্যকর রয়েছে। " এ কারণে পূর্বের নির্দেশনার (মন্ত্রণালয়ের স্মারক নম্বর-৩৭.০৩.৭০০০.১০১.১১.০০৭.২০১১) আলোকে সকলকে তা অনুমরণ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
বর্তমানে অনেক শিক্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে দ্বিধায় ভুগছেন— ১ম উচ্চতর স্কেল পাওয়ার সময়সীমা গণনা কি বিএড ডিগ্রি অর্জনের তারিখ থেকে শুরু হবে, না কি চাকরিতে যোগদানের তারিখ থেকে? এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ২০১৮ এর পূর্বে টাইম স্কেল ছিলো মাত্র একটি। ২০১৮ নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক -কর্মচারীরা টাইমস্কেল পাবে সর্বোচ্চ দুটি। একটা দশ বছর ফূর্তিতে আরেকটি পরবর্তী ৬ বছর ফূর্তিতে। কিন্তু প্রশ্ন উঠে তাকি যোগদান থেকে হিসাব হবে নাকি বিএড থেকে। ২০২১ সালের সর্বশেষ "বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা"-এর ১১.৩ ধারা এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছে। তার আগে ২০১৮ নীতিমালাটি বিশ্লেষণ করা দরকার। নীতিমালা ২০১৮ এর ১১.৫ ধারায় বলা হয়েছে যে, ” শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তির তারিখ হতে ১০(দশ) বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে পরবর্তী উচ্চতর বেতন গ্রেড প্রাপ্য হবেন এবং পরবর্তী ৬ (ছয়) বছর পর একইভাবে পরবর্তী উচ্চতর বেতন গ্রেড প্রাপ্য হবেন। তবে উল্লেখ থাকে যে,স্কেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে একই স্কেলে যথাক্রমে ...
Comments
Post a Comment