Posts

Showing posts with the label শিক্ষক_অধিকার

শিক্ষকদের ন্যায্য আন্দোলন ও দেলোয়ার হোসেন আজিজীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার: সত্য উদঘাটনের দাবি

Image
শিক্ষক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। এ অবস্থার অবসান ঘটাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শিক্ষক নেতা দেলোয়ার হোসেন আজিজী। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও দৃঢ় নেতৃত্বের কারণে আজ হাজার হাজার শিক্ষক ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নেমেছেন। শুধু শিক্ষক সমাজই নয়, সাধারণ মানুষও শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করছে। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় হলো—এমন এক সময়ে যখন শিক্ষক সমাজ ঐক্যের মাধ্যমে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করছে, তখনই দৈনিক ইনকিলাব ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। শিক্ষক সমাজ এই সংবাদকে গভীর ক্ষোভের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে। শিক্ষক নেতাদের মতে— > “আজিজী সাহেব শিক্ষকদের অধিকার আদায়ে যে লড়াই করছেন, তা দেশের মানুষেরও ন্যায্য দাবির সঙ্গে জড়িত। এ আন্দোলনে যখন সবাই একত্রিত হচ্ছে, তখন অপপ্রচার চালিয়ে তাঁকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা অত্যন্ত দুঃখজনক।” বাস্তবতা কী? বাস্তবতা হলো, দেলোয়ার হোসেন আজিজী শিক্ষকদের সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করার জন্য মাঠে থেকে কাজ করছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকদের আন্দোলন ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে এবং বাকি দাবি আ...

এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য সপ্তম গ্রেড বাস্তবায়ন হোক

Image
বর্তমানে বাংলাদেশে অধিকাংশ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি বা এমপিওভুক্ত। এসব বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি তাকে শ্রেণি-শিক্ষাদানসহ অন্যান্য প্রশাসনিক কাজেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে হয়। 🎓 তবে, বর্তমানে এমপিওভুক্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকরা জাতীয় বেতন স্কেলের ৮ম গ্রেডে বেতন পান। অন্যদিকে, একই প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা দ্বিতীয় উচ্চতর স্কেল পেয়ে ৮ম গ্রেডেই উন্নীত হয়েছেন। ফলে একই বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও সিনিয়র শিক্ষক একই গ্রেডে অবস্থান করছেন — যা একপ্রকার প্রশাসনিক ও পেশাগত বৈষম্য সৃষ্টি করছে। 👉 সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষকরা যেখানে ৭ম গ্রেডে বেতন পান এবং প্রধান শিক্ষকরা ৬ষ্ঠ গ্রেডে, সেখানে একই দেশের এমপিওভুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষকদের জন্য আলাদা নিয়ম বজায় রাখা অন্যায্য ও অসাংবিধানিক --- ✅ কেন ‘সপ্তম গ্রেড’ প্রয়োজন? সহকারী প্রধান শিক্ষকরা শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বই নয়, শ্রেণি পাঠদান ও একাডেমিক নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন...

"শিক্ষকরা কি অতিরিক্ত ভাতা নিতে পারবেন? শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রে যা বলা হয়েছে"

Image
📢 বেসরকারি শিক্ষকরা কি বাড়তি ভাতা নিতে পারবেন? প্রকাশকাল: ৯ জুন ২০১৮ চিঠির নম্বর: ৩৭.০০.০০০০.০৯২.৪৪.০০২.১২ (খণ্ড-২).১৭৭ উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয় 🔍 পরিপত্রের মূল সারাংশ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকগণ সরকারি বেতন-ভাতার বাইরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি ফি আদায় করতে পারবেন না। যদি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের জন্য সম্মানী দেয়, তবে সেটি সীমিত হবে এবং সরকারি বেতনের চেয়ে বেশি হবে না। ১.৩ ধারা: সরকারি বেতন-ভাতা ছাড়া অতিরিক্ত ভাতা নেওয়া যাবে না, শুধুমাত্র সম্মানী গ্রহণযোগ্য (কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে)। ১.৪ ধারা: শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ১.৫ ধারা: টিউশন ফি বাড়াতে হলে জেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন আবশ্যক। ১.৭ ধারা: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) অনুমোদন ছাড়া ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে না। 🧾 নির্দেশনার উদ্দেশ্য: এই পরিপত্রের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা, ন্যায্যতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে শিক্ষ...